বাকী জীবনের জন্য কাকে আপনি সারা জীবন ধরে খুঁজছেন?

Landing page down arrow

কিভাবে আপনি জীবনসঙ্গী খুঁজবেন?

  • tick markরেজিস্টার করুন নিজের বা পরিচিতজনের জন্য
  • tick markআপনার সকল তথ্য দিন
  • tick markসবগুলো ঘর ভালোভাবে পূরণ করুন
  • tick markকার্ড বা বিকাশে পে করুন
  • tick markপাত্র/পাত্রী খুঁজুন
  • tick markসম্পূর্ণ বায়োডাটা দেখার অনুরোধ করুন
  • tick markযোগাযোগের অনুরোধ করুন
  • tick markমেসেজ পাঠান
  • tick markদেখা করুন এবং বিয়ের সিদ্ধান্ত নিন

আমাদের সেবাসমূহ

Our-Services-icon-1-logo

সপ্তাহে ৭ দিন গ্রাহক সেবা

Our-Services-icon-2-logo

বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

Our-Services-icon-3-logo

ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে সহযোগীতা

Our-Services-icon-4-logo

গোপনীয়তা ও বিশ্বস্ততার নিশ্চয়তা

সফল বিয়ের গল্প

আপনি যেভাবে শুরু করতে চান

ফ্রি মেম্বারদের সুবিধা
  • tick markআজীবন মেয়াদ
  • tick markশর্ট প্রোফাইল দেখুন
  • tick mark বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
  • tick markযোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
  • tick markবায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
  • tick markসংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন

ব্লগ

ইসলামে স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা

blog-image-1
আমরা অনেক সময় মনে করি ইসলামে ভালোবাসা বলে কিছু নেই, শুধু চোখমুখ বুজে রোবটের মত জীবন কাটাব। আসলে কিন্তু তা সঠিক নয়, বরং আমাদের নবীজি ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার স্ত্রীদেরকে অনেক ভালোবাসতেন। ভালোবাসায় ছিলনা কোন মিথ্যা, বেহায়াপনা বা অশ্লীল কিছু, ভালবাসা ছিল পবিত্র যা আমাদের জন্য আদর্শ। তিনি বলেন  ”তোমরা ঐ পর্যন্ত জান্নাতে যেতে পারবেনা যতক্ষণ না পর্যন্ত মুমিন হও, আর ততক্ষন পর্যন্ত মুমিন হতে পারবেনা যতক্ষণ না পর্যন্ত একে অপরকে ভাল না বাসো”। অতএব আমরা বুঝতে পারলাম ভালবাসা ঈমান এর আলামত। যাই হোক রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্ত্রীদেরকে কি পরিমাণ ভালোবাসতেন তার কয়েকটি নমুনা তুলে ধরা হলঃ ঘটনা-১ ভালোবাসা লুকিয়ে রাখার বস্তু নয়। যদি সেটা হালাল হয়। নিজের স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসাও অন্যদের কাছে প্রকাশ করা যায়। খোদ নবীজি বলেছেন: আমাকে খাদীজার ভালোবাসা দান করা হয়েছে। (তার প্রতি আমার ভালোবাসাটা আল্লাহর হাদিয়া)। (মুসলিম) ঘটনা-২ আশেয়া রা.-এর কাছে তার ছেলেবেলার বান্ধবীরা আসতো। তার বয়স তখনো কমই ছিল। পুতুল খেলতে পছন্দ করতেন। সইদের সাথে তিনি খেলতেন। নবীজি তাদেরকে (সইদের ) আয়েশার কাছে পাঠিয়ে দিতেন। খেলার সুযোগ করে দিতেন (মুসলিম)। শুধু স্ত্রীদের ভালোবাসতেন তা  কিন্তু নয়, তাদের বান্ধবীদেরকেও ভালোবাসতেন। খোঁজখবর রাখতেন। যোগাযোগ ছিন্ন হতে দিতেন না। এটা সেটা হাদিয়া পাঠাতেন। ছাগল যবেহ হলেই কিছু গোশত আলাদা করে বলতেন: -এটা খাদীজার (অমুক) বান্ধবীর বাড়িতে দিয়ে এসো! (মুসলিম)। ঘটনা-৩ নবীজি সারাদিন ব্যস্ত থাকতেন। ফাঁকে ফাঁকে স্ত্রীদেরকে সময় দিতেন। তবে রাতের বেলায়, চারদিক নীরব হয়ে এলে, তিনি আয়েশা রা.-এর সাথে ঘুরতে বের হতেন। হাঁটতে হাঁটতে কথাবার্তা বলতেন (বুখারী)। ঘটনা-৪ স্ত্রীদের সাথে খেলাধূলা করা। আয়েশা রা. বলেছেন: -একবার নবীজি আমাকে বললেন,  চলো দৌড় প্রতিযোগিতা করি! আমরা দৌড়ালাম। আমি তার চেয়ে এগিয়ে থেকে দৌড় শেষ করলাম। কিছুদিন পর আমার স্বাস্থ্য একটু ভাল হলে, তিনি আবার একদিন প্রতিযোগিতা দিতে বললেন। এবার তিনি জয়ী হলেন। মুচকি হেসে বললেন: -এটা সেটার বদলা। শোধবোধ। (আবু দাউদ)। ঘটনা-৫ নবীজি সফর থেকে এসে, চট করে ঘরে চলে যেতেন না। স্ত্রীদেরকে সাজগোজ করার সুযোগ দিতেন। প্রস্তুতি নেয়ার সময় দিতেন। জাবের রা. বলেছেন: আমরা একবার সফর থেকে মদীনায় ফিরলাম। ঘরে যেতে উদ্যত হলে, নবীজি বললেন: -থামো, স্ত্রীদেরকে সুযোগ দাও। রাতের দিকে ঘরে যেয়ো। স্ত্রীরা এর মধ্যে ‘ক্ষৌরকর্ম’ সেরে নিতে পারবে। আলুলায়িত কেশ বিন্যাস করে নিতে পারবে! (নাসায়ী)।    ঘটনা-৬ স্ত্রীর শুধু দোষ নয়, তার গুণগুলোও খুঁজে বের করা দরকার। সেগুলো প্রকাশ করা দরকার। অপছন্দনীয় কিছু দেখলে অমনিই তেতে ওঠার কোনও কারণ নেই: স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি যেন অন্যায় আচরণ না করে। তার কোনও একটা স্বভাব পছন্দ না হলেও, অন্য আরেকটা স্বভাব পছন্দ হবে! (মুসলিম)।   ঘটনা-৭ সাফিয়া রা. এক সফরে নবীজির সফরসঙ্গী হয়েছিলেন। সাফিয়া(রাঃ) কিছুটা ধীরে পথ চলছিলেন। পিছিয়ে পড়েছিলেন। নবীজি তার কাছে এগিয়ে গেলেন। গিয়ে দেখলেন সাফিয়া কাঁদছেন আর বলছেন: -আপনি আমাকে একটা ধীরগামী গাধায় সওয়ার করিয়েছেন! নবীজি স্নেহভরে সাফিয়ার চোখের অশ্রু মুছে দিলেন। তাকে না কেঁদে চুপ করতে বললেন (নাসায়ী)। ঘটনা-৮ নবীজি আরও অবিশ্বাস্য (আমাদের যুগের দৃষ্টিভঙ্গিতে) কাজও করেছেন। তিনি বলেছেন: ”তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যে লোকমা তুলে দিবে, সেটার বিনিময়েও আল্লাহ তোমাকে সওয়াব দান করবেন (বুখারী)”। ঈদে-উৎসবে স্ত্রীদেরও শরীক করা। তাদেরকে সাথে নিয়ে উপভোগ করা সুন্নাত। আয়েশা রা. বলেছেন: – একবার মসজিদের চত্ত্বরে কিছু হাবশী বালক বর্শা নিয়ে খেলাধূলা করছিল। নবীজি তাদের খেলা দেখছিলেন। আমিও তার পেছনে দাঁড়িয়ে, তার গায়ে হেলান দিয়ে খেলাটা উপভোগ করেছি (বুখারী)। আমাদেরকে মহান আল্লাহ স্বামী স্ত্রীর একে অপরের ভালবাসার ক্ষেত্রে এসব সুন্নাহ মেনে চলার তৌফিক দান করুন- আমীন।  

বিয়ে না করা ইসলামে অপছন্দনীয়

blog-image-2
আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত (তাওহিদ প্রকাশনী- বুখারী- ৫০৭৫ নং হাদিস)। তিনি বলেন, ”আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে জিহাদে অংশ নিতাম; কিন্তু আমাদের কোন কিছু ছিল না অর্থাৎ সম্পদ ছিলনা”। সুতরাং আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সঃ)-এর কাছে বললাম, আমরা কি খাসি হয়ে যাব (অর্থাৎ বিয়ে না করে সারা জীবন কাটাবো)? তিনি আমাদেরকে এ থেকে নিষেধ করলেন, কোন মহিলার সঙ্গে একটি কাপড়ের বদলে হলেও বিয়ে করার অনুমতি দিলেন এবং আমাদেরকে এই আয়াত পাঠ করে শুনালেনঃ ‘‘ওহে ঈমানদারগণ! পবিত্র বস্তুরাজি যা আল্লাহ্‌ তোমাদের জন্য হালাল করে দিয়েছেন সেগুলোকে হারাম করে নিও না আর সীমালঙ্ঘন করো না, অবশ্যই আল্লাহ্‌ সীমালঙ্ঘনকারীদের ভালবাসেন না।’’ (আল-মায়িদাহ ৫:৮৭) অতএব আমরা বুঝতে পারলাম রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিয়ে না করে থাকাকে নিষেধ করেছেন এবং অল্প দেনমোহরের বিনিময়ে হলেও বিয়ে করতে বলেছেন। আমরা অনেক সময় মনে করি আমারতো কোন টাকা পয়সা নাই, তাই আর জীবনে বিয়ে করবোনা। কারন বিয়ে করতে গেলে যে পরিমান টাকা পয়সা লাগে তা আমাদের নাই। কিন্তু আমাদেরকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিয়ে না করে থাকাকে নিষেধ করেছেন। আর মহান আল্লাহ যেহেতু বিয়েকে হালাল ঘোষনা করেছেন তাই এ পবিত্র বিষয়কে আমরা যেন হারাম করে না নেই। কারন তার প্রতিটি সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য কল্যাণকর এবং তিনি অবশ্যই তার হুকুম পালন কারীকে সাহায্য করবেন। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের বিয়েতে এসব সুন্নাহ এর উপর আমল করার তৌফিক দান করুন।