কোথায় যেতে চাই?

বিয়ে করতে ইচ্ছুক প্রত্যেক বাংলাদেশীর বিয়েটাতে অ্যাকাউন্ট থাকবে এবং বিয়েটার মাধ্যমে তারা পছন্দের জীবনসঙ্গী খুঁজবেন।

আমরা কী করছি?

পাত্র-পাত্রি খোঁজাকে আবারো সহজ আর আনন্দময় করা
মাত্র দুই অক্ষরের শব্দ বিয়ে। কত সহজেই না ঘটে যাওয়ার কথা। পঞ্চম শতাব্দীর দিকে, সাহাবারা বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে কোনও বাসায় ঢুকলে বিয়ে করেই সেই ঘর থেকে বের হতেন। ব্যাপারটা এতই সহজ, সরল আর স্বাভাবিক ছিল। অত আগেই বা যাচ্ছি কেন? আজ থেকে দশ-পনের বছর আগে এই বাংলাদেশেরই কোন গ্রামে কারও বিয়ের বয়স হলেই প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসতেন প্রস্তাব নিয়ে। হয়তো সপ্তাহ খানেক অথবা মাস খানেক, তারপরই হয়ে যেত বিয়ে।
আর আজকের দিনে?
মানুষজন তাদের দৈনন্দিন জীবনে এতই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে যে কেউ আর সেভাবে কারও খবর রাখতে পারে না - অথবা খবর রাখতে চায়ও না। আমি যে বিল্ডিংটাতে থাকি, সেই বিল্ডিংয়ের সবাইকে তো চিনি না, পাড়া-প্রতিবেশীর খবর রাখা তো দূরের কথা! তাছাড়াও বিয়ের প্রস্তাব নেওয়ার কথা মাথায় এলে একটা চিন্তাও এসে পড়ে - বিয়ের পর যদি স্বামী-স্ত্রীর ভেতর মনোমালিন্য হয় তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই যিনি বিয়ের মধ্যস্থতা করেছেন তাকেই দোষ দেওয়া হয় - ইদানীং এটা আরও বাড়ছে। আগে যেটা মানুষজন প্রচণ্ড খুশী হয়ে করতেন এখন সেটাকেই 'ঝামেলা' মনে করেন।

এসব নানাবিধ কারণে, বিয়ের জন্য ভালো একজন জীবনসঙ্গী বা সঙ্গিনীর খোঁজ পাওয়াটা দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

পশ্চিমা বিশ্বে অবশ্য মানুষ জন বিয়ে করার আগেই একসাথে থাকা শুরু করে, নিজেদের বোঝার চেষ্টা করে, কয়েকদিন পর যখন আর ভালো লাগে না, নতুন কোন সঙ্গীর খোঁজ করতে শুরু করে দেয়। এর ফলে শুধু মনোকষ্ট আর অশান্তিই তৈরি হয় না, বিয়ে করে একটা সুন্দর জীবন তৈরি করতে অনেকটাই দেরি হয়ে যায়। অনেকসময় অনেকের বিয়ে করে ওঠাও হয় না। বাংলাদেশের মত দেশে তো এভাবে বিয়ে করার কথা কল্পনা করা যায় না, ধর্মীও দৃষ্টিকোণ থেকেও সেটা সম্ভব না।
তাহলে উপায়?
আমরা বিশ্বাস করি মানুষের জন্মের আগেই সৃষ্টিকর্তা তার সঙ্গী ঠিক করে রাখেন। তাহলে তাকে খুঁজে পাওয়া এত কঠিন হবে কেন? আমরা তো আজকাল সবই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজে পেয়ে যাচ্ছি। বাসা থেকে বের হয়ে মুদি দোকানেও যাচ্ছি না। জামা-কাপড়-জুতা থেকে শুরু করে সবকিছুই অনলাইনে পেয়ে যাচ্ছি। চাকরি খোঁজার জন্য কি আর এখন মানুষ কাগজে "চাকরির বিজ্ঞাপন" খুঁজে বেড়ায়? সেই যে আমার হারিয়ে যাওয়া স্কুলের বন্ধু, যাকে প্রায় বিশ বছর দেখি না তাকেও তো সেদিন ইন্টারনেটেই খুঁজে পেলাম।

আমরা মনে করি সহজে, কম খরচে ও সন্মানজনক উপায়ে বিয়ের জন্য জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়া প্রতিটি মানুষের অধিকার। বিয়েটা-তে আমরা সেই অধিকারটি নিশ্চিত করার চেষ্টাই করে যাচ্ছি। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের বিয়ের জন্য পাত্র বা পাত্রি খোঁজাকে আমরা যতদিন পর্যন্ত না সাশ্রয়ী, সহজ ও আনন্দময় করতে পারছি — আমাদের কাজ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।
কাজ করছে। অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন